৮ জনকে পেছনে ফেলে যে কারণে নৌকা পেলেন এ্যাড. মামুন জোয়ার্দার

বিশেষ প্রতিবেদক : দীর্ঘ ৫ বছর পর আবারো কাঁচেরকোলে নির্বাচনের আমেজ। শীতের প্রভাব বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ঘনিয়ে আসতে থাকে কাঁচেরকোল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচনে কে পাবেন আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন তা নিয়ে শুরু হয় নানা জল্পনা-কল্পনা। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে মাঠে, ঘাটে, হাটে সব জায়গায় দলীয় মনোনয়ন নিয়ে ঝড় বয়ে যায় গল্প-আড্ডা-বিতর্কে।

টানা পাঁচ বছর পর পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও নির্বাচনের আগে যারা প্রার্থী হন তাদের অনেকেরই টানা পাঁচ বছর এলাকায় পাওয়া যায়না বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে কিছু প্রার্থী ব্যানার, পোষ্টার, ফেস্টুন ও শোডাউনে জানান দেয় তিনি নির্বাচন করবেন। এবারও এর ব্যাতিক্রম হয়নি। এবারে দলীয় মনোনয়নের জন্য বেশ কয়েকজন ছিলেন নতুন মুখ। আর বাকি যারা মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন তারা এলাকায় পরিচিত মুখ।

এবার আসন্ন ৫ম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কাঁচেরকোল ইউনিয়ন থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন ৯ জন। তারা হলেন- এ্যাড. সালাহ্উদ্দিন জোয়ার্দার মামুন, আমজাদ হোসেন ঝন্টু, শেখ মো. আব্দুল ওয়াদুদ (ওয়াদুদ শেখ), জাহিদুর রহমান (শাহী মোল্লা), মো. আনিচুর রহমান রবি (মুন্সী রবি), নিগার সুলতানা, গোলাম মোস্তফা, মো. ফজলুল হক (এটিএন জুয়েল) ও আমিরুল ইসলাম (বাবলু জোয়ার্দ্দার)।

সম্প্রতি ইউনিয়নের ১৪টি গ্রামে এক জরিপে দেখা গেছে, সাধারণ মানুষ মনে করেন এমন কাউকে মনোনয়ন দেয়া ঠিক হবে না, যে নৌকা নিয়ে হেরে যাবে। নির্বাচনের কয়েক মাস আগে থেকে কিছু মনোনয়ন প্রত্যাশী মনোনয়নের জন্য দৌড়ঝাঁপ করতে দেখা যায়। কিন্তু সাধারণ মানুষের ভাষ্য- যারা সুখে দুঃখে সব সময় তাদের পাশে ছিলেন এমন কাউকেই দলীয় মনোয়ন দেওয়া হোক।

দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মানুষ মনে করেন, মামুন জোয়ার্দারকে মনোনয়ন দেওয়া সঠিক হয়েছে। মামুন জোয়ার্দার সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন, যেকোনো প্রয়োজনে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান। তিনি উচ্চতর ডিগ্রী গ্রহণ করেও উচ্চ বেতনে চাকরি না করে সাধারণভাবে গ্রামে জীবন-যাপন করছেন।

সবশেষে টান টান উত্তেজনার মধ্যে গত শুক্রবার (০৩ ডিসেম্বর) রাত ১০টায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ধানমণ্ডির দলীয় কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কাঁচেরকোল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে এ্যাড. সালাহ্উদ্দিন জোয়ার্দার মামুনের নাম প্রকাশ করা হয়।

দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পরে এ্যাড. মামুন জোয়ার্দার বলেন, শুরুতেই আমি মাননীয় প্রধান্মমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও ঝিনাইদহ-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জননেতা আব্দুল হাই ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। আমরা শান্তি প্রিয় মানুষ, আমাদের ইউনিয়নের জনগণ শান্তি প্রিয়। ষড়যন্ত্রকারীরা অনেক চেষ্টা করেছিল কিন্তু তারা সফল হয়নি। এতে আমার কোনো দুঃখ নেই, বরং এতদিন তারা আমার জন্য ভালো কাজই করেছে। মিথ্যা কথা দিয়ে বা ষড়যন্ত্র করে কেউ কোনদিন সফল হয়নি ভবিষ্যতেও হবেনা।

তবে যারা আমার বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এতোদিন ষড়যন্ত্র করেছেন তাদের আমি ব্যাক্তিগতভাবে বলতে চাই- আপনারা সবাই সবকিছু ভুলে যেয়ে একসঙ্গে নৌকা প্রতীকের ভোট করুন। নৌকা প্রতীক মানে বঙ্গবন্ধুর প্রতীক, নৌকা প্রতীক মানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতীক, নৌকা প্রতীক মানে জননেতা আব্দুল হাই ভাইয়ের প্রতীক, নৌকা প্রতীক মানে কাঁচেরকোলের সবার প্রতীক।

মামুন জোয়ার্দার আরো বলেন, আগামীতে কাঁচেরকোলকে মডেল ইউনিয়ন হিসাবে গড়ে তুলতে ও বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল ইউনিয়ন ও শতভাগ নিরক্ষরমুক্ত ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাবো। সবার দোয়া ও ভালোবাসা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই সবাইকে নিয়ে।

কাঁচেরকোলে ৯ প্রার্থীর যোগ্যতা :

১. এ্যাড. সালাহ্উদ্দিন জোয়ার্দার মামুনঃ

আওয়ামী লীগ থেকে টানা দ্বিতীয়বারের চেয়ারম্যান। কাঁচেরকোল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র নেতা কাঁচেরকোল গ্রামের সন্তান এ্যাড. সালাহ্উদ্দিন জোয়ার্দার মামুন। ১৯৯০ সালে স্কুল জীবন থেকে মামুন জোয়ার্দারের রাজনীতি শুরু। সেসময় তিনি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৯ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন শিবিরের ভয়াবহ তাণ্ডব চলছিল তখন মামুন জোয়ার্দারের গ্রুপকে শিবিরের আতংক বলে সবার কাছে পরিচিত ছিল। এরপর ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে মামুন জোয়ার্দার চলে যান কেন্দ্রে। তখন শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের বয়স ২৯ বছর নির্ধারণ করে দেওয়ার কারণে তিনি কেন্দ্র থেকে চলে আসেন গ্রামে। এরপর অনেক চড়ায়-উৎরায় পাড়ি দিয়ে দীর্ঘ ১২ বছর পরে তৎকালীন বঙ্গবন্ধু পরিষদের প্রেসিডেন্ট ড. আলাউদ্দিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসাবে নিয়োগ পাওয়ার পর ভিসির তত্ত্বাবধানে এল.এল.এম পরীক্ষা দেন তিনি। ২০০৮ সালে ঝিনাইদহ জেলা জর্জ কোর্টের বার কাউন্সিলর হিসাবে যোগদান করেন।

মামুন জোয়ার্দারের বয়স ৪৬ বছর। শিক্ষাগত যোগ্য্যতা- এল.এল.বি, এল.এল.এম।

২. আমজাদ হোসেন ঝন্টু:

কাঁচেরকোল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকবাড়ীয়া গ্রামের সন্তান আমজাদ হোসেন ঝন্টু। প্রবীণ এই নেতা এবারেও ইউপি নির্বাচনে আ’লীগ থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন। আমজাদ হোসেন ঝন্টু ইউনিয়নে দুইবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচনের আগে তিনবার মেম্বর নির্বাচিত হন।

আমজাদ হোসেন ঝন্টুর বয়স ৯২ বছর। শিক্ষাগত যোগ্য্যতা- দশম শ্রেনী।

৩. শেখ মো. আব্দুল ওয়াদুদ (ওয়াদুদ শেখ):

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ বর্তমানে প্রস্তাবিত সহ-সভাপতি সাদেকপুর গ্রামের সন্তান মো. ওয়াদুদ শেখ। এই প্রবীণ নেতা দ্বিতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন। এলাকায় মসজিদ, ঈদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তার ও পরিবারের আর্থিক অবদান রয়েছে।

ওয়াদুদ শেখের বয়স ৭৫ বছর। শিক্ষাগত যোগ্যতা- এস.এস.সি।

৪. জাহিদুর রহমান (শাহী মোল্লা):

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আলোচিত নেতা হিসাবে পরিচিত কচুয়া গ্রামের সন্তান শাহী মোল্লা। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন এই নেতা। তিনি ১৯৬৮ সালে ছাত্রলীগে যোগ দেন। এরপর ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত ইউনিয়ন যুবলীগ। ১৯৮৮ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক, ১৯৯২ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

জাহিদুর রহমান শাহী মোল্লার বয়স ৬৩ বছর। শিক্ষাগত যোগ্যতা- এস.এস.সি।

৫. মো. আনিচুর রহমান রবি (মুন্সী রবি)

মুন্সী রবির জন্ম কাঁচেরকোল গ্রামে। পারিবারিকভাবেই তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় জনসম্পৃক্ততা করেছেন।

৬. গোলাম মোস্তফা:

প্রথমবারের মতো ইউনিয়নে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্রলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক মো. গোলাম মোস্তফা। তার জন্ম উত্তর কচুয়া গ্রামে। গোলাম মোস্তফা ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। কুষ্টিয়া সরকারি কলজে ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এরপর বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক প্রচার সম্পাদক ও সাদ্দাম হোসেন হলের সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি ছিলেন। তার পিতা মৃত জোয়াদ আলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন।

গোলাম মোস্তফার বয়স ৪৫ বছর। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতকত্তোর।

৭. মরহুম সৈয়দ আবুল আহসান (সিদ্দিক) -এর সহধর্মিণী মোছা. নিগার সুলতানা :

সৈয়দ আবুল আহসান (সিদ্দিক) ছিলেন শৈলকুপা উপজেলার আমৃত্যু সভাপতি। তার সময়ে শৈলকুপায় আওয়ামী লীগের মধ্যে ছিল না কোনো গ্রুপিং। তিনি সাইকেল চালিয়ে কাঁচেরকোল থেকে শৈলকুপায় গিয়ে রাজনীতি করতেন। তিনি ছিলেন নিরাহংকার একজন মানুষ। মরহুম সৈয়দ আবুল আহসান (সিদ্দিক) এর সহধর্মিণী মোছা. নিগার সুলতানা এবার প্রথমবারের মতো দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। নিগার সুলতানার ননদ সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য।

৮. আমিরুল ইসলাম (বাবলু জোয়ার্দ্দার):

আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন কিনেছিলেন মির্জাপুর গ্রামের সন্তান বাবলু জোয়ার্দ্দার। গত ২০০১, ২০১১ ও সর্বশেষ ২০১৬ সালে বাবলু জোয়ার্দ্দার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনবারই তিনি পরাজিত হন।

বাবলু জোয়ার্দ্দারের বয়স ৬৬ বছর। শিক্ষাগত যোগ্যতা- এস.এস.সি ।

৯. মো. ফজলুল হক (এটিএন জুয়েল) :

এটিএন জুয়েলের জন্ম রতিডাঙ্গা গ্রামে। প্রথমবারের মতো তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে দলীয় মনোনয়ম ফরম কিনেছিলেন। এটিএন জুয়েল ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বর্তমানে তিনি শৈলকুপা উপজেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক পদে রয়েছেন।

একনজরে শৈলকুপায় আসন্ন ১২টি ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেলেন যারা….

১নং ত্রিবেনী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান সেকেন্দার আলী মোল্লা,

২নং মির্জাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ,

৩নং দিগনগর ইউনিয়ন বর্তমান চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান তপন,

৫নং কাঁচেরকোল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান চেয়ারম্যান এ্যাড. সালাহউদ্দীন জোয়ার্দার মামুন,

৬নং সারুটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মামুন,
৭নং হাকিমপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান শিকদার কামরুজ্জামান জিকু,

৮নং ধলরাহচন্দ্র ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান বিশ্বাস,

১০নং বগুড়া ইউনিয়ন থেকে জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শফিকুল ইসলাম শিমুল,

১১নং আবাইপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মুক্তার আহমেদ মৃধা,

১৩নং উমেদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান সাব্দার হোসেন মোল্লা,

১৪নং দুধসর থেকে জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক সাহবুদ্দীন সাবু

১৫নং ফুলহরি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান চেয়ারম্যান জামিনুর রহমান বিপুল।
উল্লেখ্য, উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের মধ্যে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২টি ইউনিয়নে। বাকি দুটি ইউনিয়ন ৯নং মনোহরপুর ও ১২নং নিত্যানন্দনপুর ইউনিয়নে সীমানা জটিলতা নিয়ে মামলার কারণে নির্বাচন বন্ধ ঘোষণা করেছে ইসি।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১১ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের শেষ তারিখ ১৩ ডিসেম্বর, আপিল ১০-১৪ ডিসেম্বর, আপিল নিষ্পত্তি ১৪-১৫ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৯ ডিসেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ ১৭ ডিসেম্বর এবং আগামী ৫ জানুয়ারি ২০২২ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য করুন