• Home »
  • কুমারখালী »
  • পান্টি বাজারে বৃষ্টি হলেই ডুবে যায় রাস্তা-ঘাট, দেখার কেউ নেই

পান্টি বাজারে বৃষ্টি হলেই ডুবে যায় রাস্তা-ঘাট, দেখার কেউ নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক [] কুমারখালীর পান্টি ইউনিয়নের ঐতিহবাহী পান্টি বাজারের অধিকাংশ রাস্তার বর্তমান বেহাল দশা। পান্টি বজারের বিভিন্ন সড়ক অসংখ্য খানাখন্দে ভারা। পান্টি বাজার থেকে কুষ্টিয়া শহরের প্রবেশের অন্যতম সড়ক নওশের মোড় থেকে পান্টি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় পর্যন্ত বৃষ্টি হলেই ডুবে যায়।

পান্টি বাজারের লালু মর্কেটের সামনে রাস্তা ভেঙে গর্তে পরিণত হয়েছে। এছাড়াও পান্টি বাজারের জহুরুল মোড় থেকে কচুয়া বাজার সড়কে খাঁন মার্কেট পর্যন্ত ও পান্টি গোলাবাড়ী থেকে কুমারখালী সড়কে পড়শী এন্টারপ্রাইজের সামনের সড়কটিতে রয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ।

সামান্য বৃষ্টি হলেই এই সড়কে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। পান্টি বজার সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য যানবাহন চলাচল করে। এছাড়াও পান্টি ডিগ্রী কলেজ, পান্টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পান্টি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, পান্টি বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পান্টি বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোলাবাড়ী দাখিল মাদরাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, বাজারের ব্যবসায়ীসহ অসংখ্য জনসাধারণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে।

সড়ক গুলোর বেহাল দশা দেখার কেউ নেই এতে সাধারণ মানুষ, স্কুল, কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ জনসাধারণের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

ওয়াশি গ্রামের ভ্যান চালক হাকিম মোল্লা বলেন, ‘বৃষ্টি হতে না হতেই পানি জমে যায়। রাস্তা ঘাট চেনা যায় না। অনেক সময় ভ্যান নিয়ে আমাদের অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। এলাকার চেয়ারম্যান-মেম্বররা কিছুই করেনা।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোলাবাড়ী দাখিল মাদরাসার এক শিক্ষক বলেন, ‘পান্টি বাজারে এই সমস্যাটা বহু দিনের। কিন্তু কেউ কোনো উদ্যোগ নিয়ে এই কাজ সমাধান করে না। প্রতি বছরের বৃষ্টিতে পান্টি বাজারের এক অংশ ডুবে যায়। এতে করে আমাদের অনেক ছাত্র-ছাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।’

গোলাম ব্যাপারী নামে এক সবজি ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমি রাস্তার উপরে দোকান করি। কিন্তু বৃষ্টির দিনে রাস্তায় পানি উঠে যাওয়ার কারণে দোকান দিতে পারি না। আমি গরীব মানুষ, দোকান দিতে না পারলে আমার অনেক ক্ষতি হয়।’

পান্টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনির ছাত্র জুলিয়াস ইকবাল নয়ন বলেন, ‘বৃষ্টির দিনে স্কুলে আসতে হলে প্যান্ট হাটুর উপরে উঠে স্কুলে আসতে হয়।’

এ ব্যাপারে পান্টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাফিজুর রহমান ডাকুয়া২৪’কে বলেন, এই বছরে আমাদের বাজেট নেই তবে আগামী বছরে এলজিএসপি’র বাজেট দিয়ে সমাধান করা হবে।

দুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু পদক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকার সাধারণ মানুষ।

মন্তব্য করুন